উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এই চলতি মৌসুমে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ১ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও আবাদ হয়েছে অনেক বেশি। সরিষা ফুলের কদর বেশি থাকায় অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি সরিষা আবাদে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।
জানা গেছে, সরিষার ফুল দিয়ে গৃহিণীরা মজাদার পিঠা ও বড়া তৈরি করছেন। তাই সরিষা ফুলের চাহিদা রয়েছে।
.png)
উপজেলার চর জামাইল গ্রামের কৃষক নবী হোসেন ও নুরুল হুদাসহ অনেকেই জানান, তারা এ বছর ৪ বিঘা জমিতে সরিষা আবাদ করে ১৩ হাজার টাকা খরচ করেছেন। কিন্তু ফুল-শাক বিক্রি করে ৩৫ হাজার টাকা লাভ করেছেন।
চর বিশ্বনাথপুরের জাকির, সাহেবের চরের রুমান, আব্দুল কাদির, মেছেরা গ্রামের আলাল উদ্দিন এবং চরকাটিহারী গ্রামের আব্দুল বাতেনসহ অনেকেই জানান, সরিষা চাষে তুলনামূলক অন্যান্য ফসলের তুলনায় খরচ কম। তবে লাভের পরিমাণ বেশি। তাই এবার অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি সরিষার আবাদ করেছেন এবং ফলনও হয়েছে ভালো।
উপজেলার কৃষি উপ-সহকারী জাহিদ হাসান রণি জানান, আবহাওয়া অনুকূল ও বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়ায় কৃষকরা কম খরচে সরিষা আবাদ করেছেন। সরিষার ফুল বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা আয় করেছেন কৃষকরা। তাছাড়া পরিপক্ক সরিষা উৎপাদন করে আরো বেশি লাভবান হবেন কৃষকরা।