মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে ভুক্তভোগী ঐ তরুণীকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (সাউথ) তাজুল ইসলাম জানান, সোমবার রাত আড়াইটার দিকে তিনজন দুর্বৃত্ত ঘোলা গ্রামের একটি বাড়ির ছাদের সিঁড়িঘর দিয়ে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে। দুর্বৃত্তরা চেতনানাশক স্প্রে করে গৃহকর্তাকে একটি কক্ষে অচেতন করে রাখেন। তারা চেতনানাশক স্প্রে করে তার স্ত্রীকে অচেতন করে লেপ পেঁচিয়ে রান্নাঘরে নিয়ে রাখেন। এরপর একইভাবে তার মেয়েকে অচেতন করে একজন তাকে ধর্ষণ করে।
.png)
তিনি জানান, ধর্ষণের পর দুর্বৃত্তরা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ কিছু মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং র্যাব ও সিআইডির টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় দস্যুতা ও ধর্ষণের অভিযোগে হরিণটানা থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সন্দেহভাজন একজনকে আটক করা হয়েছে।