জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে উপজেলার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকা সমেশ্চুড়া, মধুটিলা, বুরুঙ্গা, কালাপানি, আন্ধারুপাড়া, খলচান্দা, বারোমারী, দাওধারা, কাটাবাড়ি, হাতিপাগার, নাকুগাঁও, কালাকুমা, তারানী, পানিহাটা ও মায়াঘাসী এলাকার পাহাড়ি পল্লীতে চলছে কনকনে শীতের মহড়া। উত্তরে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের হিমালয় পর্বতের হিমবায়ু আর ঘন কুয়াশায় এখন এলাকায় জেঁকে বসেছে প্রচণ্ড শীত।
মি. লুইস নেংমিনজা নামে এক ব্যক্তি জানান, পাহাড়ি এলাকায় দিনদিন শীত বাড়ছে। প্রচণ্ড শীতের কারণে সীমান্ত এলাকার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন বেশি। প্রতিবছর এভাবেই শীতের সঙ্গে লড়াই করে তাদেরকে বেঁচে থাকতে হয়।
.png)
আন্ধারুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহিম বলেন, ভেতর এলাকার চেয়ে সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকায় শীত পড়ে বেশি।
সীমান্তবর্তী পাহাড়ি খলচান্দা গ্রামের বাসিন্দা কোচ আদিবাসী পরিমল কোচ বলেন, সমতলের চেয়ে পাহাড়ে শীত পড়েছে বেশি। বেলা ১০-১১টার আগে সূর্যের দেখা পাওয়া যায় না।
এ ব্যাপারে নালিতাবাড়ী ইউএনও ইলিশায় রিছিল জানান, সরকারিভাবে এ উপজেলায় শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। খুব শিগগিরই শীতার্ত মানুষের মাঝে এই কম্বল বিতরণ করা হবে।