সোমবার সকাল ১০টা থেকে ঐ প্রাইভেট শিক্ষকের বাড়ি গিয়ে অনশন শুরু করেন তার ছাত্রী। অভিযুক্ত শিক্ষক আল মামুন তালতলীর তালকুদার পাড়ার আমির হোসেনের ছেলে।
অনশনরত ছাত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ছয় বছর আগে আল-মামুনের কাছে প্রাইভেট পড়তেন ভুক্তভোগী। এ সময় দু’জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্কও করেন শিক্ষক। বিয়ের কথা বললে তালবাহানা শুরু করেন আল মামুন।
.png)
অভিযোগ করে ভুক্তভোগী ছাত্রী বলেন, আল মামুন আমাকে বিয়ে না করে অন্য মেয়েকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এজন্য আমি তার বাড়িতে এসে অনশন করছি। আমাকে রেখে অন্য মেয়েকে বিয়ে করতে দেবো না। আমাকে মামুন বিয়ে না করলে আমি বিষ খেয়ে মারা যাব।
এ বিষয়ে আল মামুনের বাবা আমির হোসেন বলেন, ঐ মেয়ে আমাদের বাড়িতে এসেছে। তাদের প্রেমের সম্পর্কের কথা আমরা জানি না। আমার ছেলেকে বিয়ে দেওয়ার জন্য মেয়ে দেখতে গেছিলাম। ঐ মেয়ের পরিবার ডেকে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে বলেও জানান তিনি।
তালতলী থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।