ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]
ফুলগাজী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

২১ বছরের অপেক্ষার অবসান!

ফেনী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:৪২, ১১ ডিসেম্বর ২০২৩
২১ বছরের অপেক্ষার অবসান!
ফুলগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘ ২১ বছর পর চালু হয়েছে আল্ট্রাসনোগ্রাম সেবা কার্যক্রম। ২০০২ সালে হাসপাতালটি চালু হওয়ার পর থেকে এ সেবাটির জন্য জনসাধারণকে জেলা শহর অথবা উপজেলার বিভিন্ন ক্লিনিকের দ্বারস্থ হয়েছে। দীর্ঘ ২১ বছর পর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবাটি চালু হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। 

জানা গেছে, ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ৩১ শয্যা বিশিষ্ট ফুলগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। স্বল্প পরিসরে জনবল ও সেবা নিয়ে চালু হওয়া জনগুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানটি শামুক গতিতে চলছিলো। কিন্তুু সম্প্রতি সময়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রুবাইয়াত বিন করিম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় একের পর এক সেবা সম্প্রসারণ করা হয়। চালু হয় প্রসূতি ও সিজারিয়ান সেবা কার্যক্রম। সম্প্রতি এ হাসপাতালটিতে চালু হয়েছে আল্ট্রাসনোগ্রাম সেবা কার্যক্রম।
                
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, হাসপাতালটি চালুর পর থেকে জনবল সংকট, শয্যা সংকট, যন্ত্রপাতি সংকটসহ নানা সমস্যার গর্ভে পড়ে ছিলো। চলতি বছরের শুরুর দিকে হাসপাতালটিতে সিজারিয়ান কার্যক্রম চালু হওয়ার পর প্রসূতি সেবায় সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। তবে আল্ট্রাসনোগ্রাম সেবা না থাকায় হাসপাতালটিতে আগত সেবাগ্রহীতারা বিড়ম্বনায় ও বেকায়দায় পড়তে হতো। সেবাটির জন্য জেলা শহর অথবা উপজেলার বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে গিয়ে প্রতারণার স্বীকার হতো। তবে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এখনো এক্স-রে, ডেন্টাল ও ল্যাব টেকনিশিয়ান নেই দীর্ঘদিন ধরে। ফলে হাসপাতালের টেকনিশিয়ানের অভাবে এখন যন্ত্রগুলো নস্ট হয়ে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছে।

সালমা আক্তার নামের এক গৃহিনী জানায়, আগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার দেখিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ফেনীতে যেতে হতো। এতে করে প্রসূতি নারীদের জন্য জেলা শহরে যাতায়াতে স্বাস্থ্য সমস্যাসহ নানা রকম সমস্যার সৃষ্টি হতো। কিন্তুু এখন এখানে গর্ববতী নারীদের নানা রকম পরীক্ষা ও আল্ট্রাসনোগ্রাম চালু হয়েছে। এটি একটি ভালো খবর ও স্বস্তির খবর। 

Advertisement

ফুলগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রুবাইয়াত বিন করিম জানান, গর্ভকালীন সময়ে প্রায় সকল নারীর আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে হয়। আমি যোগদানের পর থেকে সেবা সম্প্রসারণের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। সিজার, আল্ট্রাসনোগ্রাম ও প্যাথলজি কার্যক্রম চালু করেছি। হাসপাতালে বর্তমানে সেবার মান বাড়ায় সেবাগ্রহীতার সংখ্যা ও প্রত্যাশা বেড়েছে। প্রত্যাশা ও চেষ্টার সম্মিলনে হাসপাতালটি এগিয়ে যাচ্ছে। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
ট্যাগ: ফেনী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!