নিহত ছৈয়দ আলম রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৪ এর মো. মুচির ছেলে।
ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ নভেম্বর ভোর সাড়ে ৬টায় সশস্ত্র রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা ছৈয়দ আলমকে গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহত ছৈয়দের স্ত্রী জহোরা গত ২ ডিসেম্বর উখিয়া থানায় হাজির হয়ে ২০ জনের নাম উল্লেখপূর্বক ৩৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
.png)
মামলার আসামিরা হলেন- ৪নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নজির আহমদের ছেলে হাফেজ কালাম, নুর হাসানের ছেলে ছৈয়দ আলম, ৩নং ক্যাম্পের আবদুল জাব্বারের ছেলে মো. হানিফ, মো. নুরের ছেলে আবুল হাশিম, ৩নং ক্যাম্পের মোদাচ্ছেরের ছেলে আবদুল্লাহ, ৪নং ক্যাম্পের সুলতানের ছেলে মো. আমিন, আবদুল শুকুরের ছেলে ছৈয়দ আলম, নজির আহমেদের ছেলে পীর আহমেদ, পেটানের ছেলে সিরাজ উল্লাহ, আবদুর মুনাফের ছেলে মফিজুর রহমান, ছৈয়দ হোসেনের ছেলে জামাল হোসেন, মীর আহমদের ছেলে জয়নাল উদ্দীন, কাশিমের ছেলে ছৈয়দ আমিন, মো. হোসেনের ছেলে মো. ইসমাইল, মো. হাসেমের ছেলে ছৈয়দুল আমিন, মো. হাসেমের ছেলে আয়াত উল্লাহ, ফকির আহমের ছেলে আমান উল্লাহ, আবু জাফরের ছেলে মো. হারেস, হাবিব উল্লাহর ছেলে মো. হোসেন, আবু সুফিয়ানের মো. আয়াছ ও হাফেজ আহমদের ছেলে মফিজুর রহমান। আরো অজ্ঞাত ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে উখিয়া থানার ওসি শামীম হোসেন জানান, আসামিরা সবাই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে। আসামিরা সবাই পলাতক। তবে পুলিশসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।