রেলওয়ে সূত্র জানায়, বিজয় এক্সপ্রেস জামালপুর-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী প্রথম আন্তঃনগর ট্রেন। শোভন চেয়ার, এসি চেয়ার, এসি কেবিন ও নন এসি কেবিন সম্বলিত ট্রেনের সর্বনিম্ন শোভন চেয়ারের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৩০ টাকা। সর্বোচ্চ এসি কেবিনের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪৭৮ টাকা। এটি রাত ৮টা ১০ মিনিটে জামালপুর রেলওয়ে জংশন থেকে ছেড়ে গিয়ে পিয়ারপুর, ময়মনসিংহ, গৌরিপুর, আঠারবাড়ি, কিশোরগঞ্জ, সরারচর, ভৈরব, আখাউড়া, কুমিল্লা, লাকসাম, ফেনী, ভাটিয়ারী যাত্রাবিরতি শেষে ভোর ৫টায় চট্টগ্রাম রেলওয়ে জংশনে পৌঁছাবে। মঙ্গলবার বাদে বাকি ৬ দিন নিয়মিতভাবে এ রুটে যাতায়াত করবে এ ট্রেন।
স্থানীয়রা জানান, ময়মনসিংহ বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে জামালপুর। শিল্প-বাণিজ্য, কৃষি বিপণনসহ নানা ক্ষেত্রে দেশের অন্য যেকোনো জেলার চাইতে কোনো অংশেই কম নয়। প্রায় ১০ বছর ধরে আন্তঃনগর বিজয় এক্সপ্রেস ময়মনসিংহের পরিবর্তে জামালপুর থেকে ছেড়ে যাওয়ার দাবি করে আসছিলেন এ এলাকার মানুষ। সম্প্রতি বিজয় এক্সপ্রেসের স্টাটিং পয়েন্ট জামালপুর রেলওয়ে জংশন করার সিদ্ধান্ত নেয়ায় খুশির জোয়ার বইতে শুরু করে জেলাবাসীর মাঝে। এমন খবরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে রেলওয়ে বিভাগকে ধন্যবাদ জানিয়ে পোস্ট করছেন অনেকে।
.png)
জামালপুর রেলওয়ে জংশনের স্টেশন মাস্টার আসাদুজ্জামান বলেন, শনিবার অনলাইনে টিকেট ওপেন হয়েছে। তাই আশা করা যাচ্ছে, আগামী ১ ডিসেম্বর আন্তঃনগর ‘বিজয় এক্সপ্রেস’ জামালপুর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর ময়মনসিংহবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ‘বিজয় এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি উদ্বোধন করা হয়।