বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লালমোহনের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনামিকা নজরুল। তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পেয়েছি। এছাড়া প্রায় ১২শ’ হেক্টর জমির বিভিন্ন ধরনের ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নষ্ট হয়েছে ধান। কিছু কিছু এলাকায় গাছ উপড়ে গেছে।
তিনি আরো বলেন, ঘূর্ণিঝড় মিধিলির প্রভাবে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকেই লালমোহনে বিদ্যুৎ বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুৎ অফিস থেকে জানানো হয়েছে তারা লাইন মেরামত করে বিদ্যুৎ সংযোগ চালুর চেষ্টা করছেন।
.png)
অনামিকা নজরুল বলেন, আমরা এরই মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে লালমোহনের ক্ষয়ক্ষতির একটি তালিকা জেলায় পাঠিয়েছি। বরাদ্দ পেলে ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া হবে। এছাড়া ঘূর্ণিঝড়ের সময় বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে তিন হাজারেরও অধিক লোক আশ্রয় নিয়েছেন। আমরা তাদের মাঝে প্রয়োজনীয় শুকনো খাবার বিতরণ করেছি।