বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাখাওয়াত জামিল সৈকত নিজ কার্যালয়ে ওই কিশোরীর হাতে মূল্যবান বই ও ফুল দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করেন।
ইউএনও বলেন, বাল্যবিবাহ এক সামাজিক ব্যাধি। এই অভিশাপ দূরীকরণে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। বুধবার (১৫ নভেম্বর) চাঁদপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এক কিশোরীর বাল্যবিয়ের আয়োজন চলছিলো। আয়োজনের পাত্রী অসম্ভব মেধাবী ও সাহসী হামিদা জাকির জয়িতা আক্কাছ আলী রেলওয়ে একাডেমির দশম শ্রেণির ছাত্রী।
.png)
তথ্য দিয়ে তার সাহসিকতা, আত্মবিশ্বাস ও প্রত্যয়ে উক্ত বাল্যবিয়ের আয়োজন চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে জয়িতা বাল্যবিয়ের অভিশাপ থেকে মুক্তি পায়। ওই সময় কিশোরীর পিতা-মাতার কাছ থেকে মুচলেকা গ্রহণ করা হয়।
যার ফলে আজ উপজেলা প্রশাসন দারুণ আত্মবিশ্বাসী ও সাহসী জয়িতাকে সংবর্ধনা প্রদান করে। এ সময়ে তার হাতে তুলে দেওয়া হয় অমূল্য উপহার বই। সংবর্ধনার সময় জয়িতার বাবা জাকির হোসেন প্রধানিয়া-মা ও আক্কাছ আলী রেলওয়ে একাডেমির প্রধান শিক্ষক মো. গোফরান হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
জয়িতাদের আত্মবিশ্বাস ও বড় হওয়ার প্রত্যয় আমাদের আশাবাদী করে তোলে। উপজেলা প্রশাসন জয়িতাদের পাশে আছে এবং আগামীতেও থাকবে বলে জানান ইউএনও।