মোস্তফা বাবুল বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) জামালপুর জেলা সংবাদদাতা ছিলেন। এর আগে তিনি দৈনিক জনতা, দৈনিক জনকণ্ঠ ও কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি জামালপুর শহরের মেডিকেল রোড এলাকার নকিব উদ্দিন হাসপাতালের পেছনে নিজ বাসায় বসবাস করতেন।
মরহুমের প্রথম জানাজা বাদ মাগরিব জামালপুর শহরের মডেল মসজিদে ও সরিষাবাড়ী উপজেলার আওনা ইউনিয়নের স্থলগ্রামে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
.png)
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ৪ নভেম্বর দুপুরে জামালপুর পুলিশ লাইনস মাঠে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন মোস্তফা বাবুল। সেখানে থেকে ব্যক্তিগত কাজে বিকেলে ট্রেনে করে সরিষাবাড়ী উপজেলায় যান। সরিষাবাড়ী রেলওয়ে স্টেশন থেকে ইজিবাইকে উপজেলার চাপারকোণা এলাকায় যাওয়ার পথে একটি মোটরসাইকেল তাকে বহনকারী ইজিবাইকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ইজিবাইক থেকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে জামালপুর শহরের বেসরকারি ডায়াবেটিস জেনারেল হাসপাতালে নেন। ওই রাতেই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সাংবাদিক জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, সাংবাদিক মোস্তফা বাবুল অত্যন্ত মেধাবী একজন সাংবাদিক ছিলেন। তিনি একজন লেখকও ছিলেন। পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ে ও মর্যাদা রক্ষায় নিয়োজিত ছিলেন মোস্তফা বাবুল।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে ও এক ছেলে, পুত্রবধূসহ অসংখ্যক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে জেলার কর্মরত সাংবাদিকদের মাঝে শোক নেমে এসেছে।