দিদার মিয়া বাঞ্ছারামপুর উপজেলার নিজকান্দি গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে।
জানা যায়, উপজেলার ফরদাবাদ ইউপির একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী সোমবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে স্কুলে যায়। বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরী কাম দফতরি দিদার মিয়া তাকে চকলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশের পুরাতন বাথরুমে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি কাউকে না বলতে তাকে ভয় দেখায়। মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে সে বাড়িতে চলে যায়।
.png)
বাড়িতে গিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে তার মা বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলে মাকে সে বিষয়টি বলে। পরে তাকে প্রথমে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
ভিকটিমের মা জানান, এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। আমার মেয়ের মতো যেনো অন্য কোনো শিশু এ ধরণের ন্যাক্কারজনক ঘটনার শিকার না হয়।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাজমুল হোসেন বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক ঘটনা। আমি ন্যাক্কারজনক এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি জানাই।
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি নূরে আলম বলেন, এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে দিদার নামে একজনকে গ্রেফতার করেছি। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। আমরা ওই শিক্ষার্থীর মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছি।