জীবিত ফিরে আসা রোহিঙ্গা আলী হোসাইন জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ স্থানীয় একটি দালালচক্র সাগর পথে মালয়েশিয়া নিয়ে যাওয়ার কথা বলে তাদের টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেশখালীয়াপাড়ার কয়েকটি বাড়িতে ২-৩ দিন রাখেন। এরপর সুযোগ বুঝে রাতের আঁধারে ইঞ্জিনচালিত একটি কাঠের ট্রলারে তোলা হয়। গভীর সাগরে গিয়ে তাদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেন তারা। পরে সাগরে ভাসমান রেখে দালালরা আরেকটি ট্রলারে পালিয়ে যান। সাগরে বিক্ষিপ্তভাবে পাঁচদিন ভাসমান থাকার পর স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় সাগর থেকে মহেশখালীয়াপাড়া নৌ-ঘাটে ফিরে আসেন তারা।
তিনি আরো জানান, ঐ ট্রলারে ২০ জন পুরুষ, ৪০ জন নারী ও ১০ জন শিশু ছিল। তারা সবাই উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।
.png)
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ জুবায়ের সৈয়দ জানান, খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত তার তদন্ত চলছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।