অভিযুক্ত সঞ্জিত কুমার উরাও (২২) তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের কাঞ্চনেশ্বর গ্রামের অজিত কুমার উরাওয়ের ছেলে। ভুক্তভোগী তরুণী (৩৩) একই এলাকার বাসিন্দা।
তাড়াশ থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর ধর্ষণের শিকার প্রতিবন্ধী তরুণীর পরিবার থানায় না আসায় দেরিতে মামলা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাতে তরুণীর ছোট ভাই বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আসামিকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।
.png)
ওসি বলেন, ধর্ষণের শিকার প্রতিবন্ধী তরুণীকে মঙ্গলবার সকালে শারীরিক পরীক্ষার জন্য সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল পাঠানো হয়। জবানবন্দি দেওয়ার জন্য তাকে আদালতে নেয়া হবে।
ভুক্তভোগীর ছোট ভাই জানান, গত ২৩ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে তার বোন প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হন। অনেকক্ষণ পর তিনি ঘরে ফিরে না আসায় খোঁজাখুজি শুরু করেন। একপর্যায়ে প্রতিবেশীর গোয়াল ঘরে গিয়ে তার বোন ও অভিযুক্ত সঞ্জিতকে আপক্তিকর অবস্থায় দেখেন। এ সময় অভিযুক্তকে ধরে চিৎকার করলে তিনি পায়ের স্যান্ডেল ও গেঞ্জি ফেলে পালিয়ে যান।
তিনি অভিযোগ করেন, ঘটনার পর সঞ্জিতের চাচা স্থানীয় ইউপি সদস্য মিলন চন্দ্র সরকার মামলা করতে বাধা দেন। গ্রাম্য সালিশে বিষয়টি মীমাংসার জন্য মাতব্বরদের নিয়ে কয়েক দফা বৈঠক করেন। কিন্তু কোনো সমাধান না হওয়ায় মামলা করতে দেরি হয়েছে। মামলায় সহযোগিতা করার মতো আমার পরিবারে কেউ নেই। আসামি প্রভাবশালী হওয়ায় মামলার পর পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
এ বিষয়ে স্থানীয় মাধাইনগর ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য মিলন চন্দ্র সরকার জানান, অভিযুক্ত সঞ্জিত আর ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী তরুণী প্রতিবেশী। ঘটনাটি নিজেদের মধ্যে হওয়ায় গ্রাম্য সালিশে সমাধান করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ভুক্তভোগী পক্ষের অসহযোগিতার কারণে সম্ভব হয়নি।