সোমবার বিকেলে ইউএনও নিজ কার্যালয়ে শিশু হাফেজ মাহদী হাসান ওয়াছকুরুনীর তিলাওয়াত শুনে মুগ্ধ হয়ে তার হাতে উদ্দীপনা পুরষ্কার হিসেবে নগদ অর্থ তুলে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- মাহদী হাসানের মা সুরাইয়া বেগম, নকলা দারুল উলুম মাদরাসার মুহতামিম মুফতি আনসারুল্লাহ, ওয়াছকুরুনীর ভগ্নীপতি হাফেজ মাওলানা আব্দুল আলীমসহ অনেকে।
এ সময় মাহদী হাসানের মা সুরাইয়া বেগম বলেন, ইউএনও স্যারের হাত থেকে উপহার পেয়ে খুব খুশি হয়েছে মাহদী। এটি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে আমাদের কাছে।
.png)
ওয়াছকুরুনীর ভগ্নীপতি হাফেজ মাওলানা আব্দুল আলীম জানান, বাবা হারা মাহদী হাসানের লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ দেখে তার যাবতীয় ব্যয়ভার গ্রহণ করেন নকলা দারুল উলুম মাদরাসার মুহতামিম মুফতি আনসারুল্লাহ।
এ বিষয়ে ইউএনও সাদিয়া উম্মুল বানিন জানান, মাত্র ছয় মাসে সাত বছর বয়সী কোনো শিশুর কোরআনে হাফেজ হওয়া সত্যিই বিস্ময়কর। একমাত্র আল্লাহর অশেষ রহমতের কারণেই সম্ভব এটা। এ সময় মাহদী হাসানে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন তিনি।