বৃহস্পতিবার মডেল থানার পাগলা শান্তি নিবাস এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূ গ্রেফতারকৃত রিয়াজসহ দুইজনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরো তিনজনকে অভিযুক্ত করে ফতুল্লা মডেল থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগের পর ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ রাতেই রিয়াজকে গ্রেফতার করে।
জানা যায়, গৃহবধূর স্বামী ফেরি করে ভাঙারি সংগ্রহ করেন। তারা এক সময় পাগলা পূর্বপাড়া এলাকায় ভাড়ায় বসবাস করতেন। সে সুবাদে গ্রেফতারকৃত রিয়াজ ও অভিযুক্ত রাকিবের (২০) সঙ্গে তাদের পূর্ব পরিচয় ছিল।
.png)
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে রিয়াজ ফোন করে বাদীর স্বামী কোথায় আছে জানতে চেয়ে তাকে জানান যে; তার স্বামী সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন এবং পাগলা এলাকায় আছেন। সংবাদ পেয়ে বাদী তার পাঁচ বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে দ্রুত পাগলা সূর্য সিনেমা হলের সামনে যান। সেখান থেকে তাকে রিয়াজ পাগলা শান্তি নিবাস এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে যান এবং বলেন; সেখানকার একটি বাসায় বাদীর স্বামী শুয়ে আছেন। বাদী শিশুসহ ওই ঘরে প্রবেশ করে দেখতে পান অভিযুক্ত রাকিবসহ অপর তিন যুবক সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছেন।
পরবর্তীতে বাদীর কোলে থাকা শিশু পুত্রকে নিয়ে অজ্ঞাত এক যুবক ঘরের বাইরে বের হয়ে যান। রিয়াজসহ অপর তিনজন ঘরের দরজা বন্ধ করে বাদীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণকারীরা সে দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও করেন। বাদী অসুস্থ হয়ে পড়লে দুপুর ১টার দিকে শিশুকে কোলে দিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেন এবং কাউকে না বলার জন্য হুমকি প্রদান করেন।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি নূরে আযম মিয়া জানায়, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলার এজাহার নামীয় এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্ত অপর আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।