বৃহস্পতিবার সকালে কসবা পৌর এলাকার চড়নাল এলাকায় এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। নিহত পারুল আক্তার (৪৫) উপজেলার চড়নাল গ্রামের ইব্রাহিম মিয়ার স্ত্রী।
গৃহবধূর স্বামী ইব্রাহীম মিয়া জানান, কয়েক মাস আগে ছোট মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার পর থেকে প্রায় সময়ই পারুল অন্য মনস্ক বা বিকারগ্রস্থ হয়ে আবোল তাবোল কথা বলতো পারুল। কিছুক্ষণ ভালো থাকতো আবার কিছুক্ষণ অন্যমনস্ক হয়ে নিজের মর্জি মাফিক চলতো। এসব সমস্যায় চিকিৎসাও চলছিলো। বুধবার তাকে কুমিল্লায় নেয়া হয়েছিলো চিকিৎসকের কাছে। বৃহস্পতিবার সকালে নাস্তা তৈরি করে বড় মেয়ের কক্ষে পাঠায়। বড় মেয়ে তার ছোট ভাইকে নিয়ে নাস্তা খাওয়ার সময় রান্না ঘরে চিৎকারের শব্দ শোনতে পান। এ সময় রান্না ঘরে গিয়ে দেখে পারুল আক্তারের গলাকাটা অবস্থায় ছটফট করছেন। পরে ঘটনাস্থলেই মারা যায় গৃহবধূ পারুল। ঘটনার সময় গৃহবধূর হাতে বটি দা ছিলো।
.png)
কসবা থানার ওসি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, কসবা পৌর এলাকার চড়নাল এলাকা থেকে গৃহবধূ পারভীন আক্তারের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পারুল অনেক দিন যাবত মানসিকভাবে বিকারগ্রস্থ ছিলো।