মঙ্গলবার নান্দাইল উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত রুহুল আমীন মোমতাজি এলাকায় ধর্মীয় বক্তা হিসেবে পরিচিত।
জানা যায়, বাড়ির পাশের মহিলা কওমি মাদরাসায় পড়াশোনা করত ওই কিশোরী। কর্মসূত্রে অন্যত্র থাকেন ওই কিশোরীর বাবা। অভিযুক্ত রুহুল আমীন ওই কিশোরীকে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিযুক্ত যুবককে বহিষ্কার করে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। সালিশে যার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তার সঙ্গেই নির্যাতনের শিকার ওই ছাত্রীকে বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরে কাজি ডেকে সেখানেই বিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, অভিযুক্ত ধর্ষকের কঠোর বিচার হওয়া উচিত ছিল।
.png)
ওই মাদরাসাছাত্রী জানান, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক বছর ধরে তাকে ধর্ষণ করে আসছেন রুহুল আমীন। তার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সালিশ বসান স্থানীয়রা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যানও। ঘণ্টাখানেক পর সিদ্ধান্ত জানান সালিশকারীরা। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহর ও এক লাখ টাকা উসুল দিয়ে মোমতাজির সঙ্গে ওই ছাত্রীর বিয়ে দেওয়া হয়।
ইউপি চেয়ারম্যান শাহাবউদ্দিন ভূইয়া জানান, কৌশল হিসেবে বিয়ে পড়ানো হয়েছে। ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত ওই ছাত্রী তার মা-বাবার কাছেই অবস্থান করবে।
নান্দাইল থানার ওসি মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান জানান, বিষয়টি জানেন না তিনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।