শুক্রবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নৌ পুলিশ চাঁদপুর সদর থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান।
তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭২ জেলেকে আটক করে নৌ পুলিশ। এরমধ্যে ১৭জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা, ১০জন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকী ৪৫ জেলের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়। এ ঘটনায় দুইটি ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ১৪টি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
.png)
তিনি আরো জানান, অভিযানে জব্দকৃত ৬৭২ কেজি ইলিশ স্থানীয় এতিমখানা ও গরিবদের মাঝে বিতরণ, পাঁচ লাখ মিটার কারেন্টজাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট এবং ২৬টি মাছ ধরার নৌকা নৌ পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা তানজিমুল ইসলাম জানান, মেঘনা নদীর সদর এলাকায় বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়। এ সময় আটক পাঁচ জেলের মধ্যে তিনজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৮ দিন করে কারাদণ্ড দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আজিজুন্নাহার এবং দুইজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা রেখে পরিবারের জিন্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। জব্দকৃত ১০ হাজার মিটার কারেন্টজাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট এবং তিন কেজি ইলিশ স্থানীয় গরিবদের মাঝে বিতরণ করা হয়।
অপরদিকে হাইমচর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মাহবুব রশীদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাইমচরে ১১ জেলেকে আটক করা হয়। এরমধ্যে পাঁচ জেলেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাতদিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন হাইমচর ইউএনও চাই থোয়াইহলা চৌধুরী। বাকী ছয় জেলের বিরুদ্ধে মৎস্য আইনে নিয়মিত মামলা করে কারাগারে পাঠানো হয়।
জব্দকৃত ৪৭ হাজার মিটার কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট এবং ৫০ কেজি ইলিশ স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ। এছাড়া মাছ ধরার একটি নৌকা উপজেলা টাস্কফোর্স হেফাজতে রয়েছে। অভিযানে সহযোগিতা করেন কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ।