মঙ্গলবার ভোরে যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে সৌদি আরবের একটি ফ্লাইটে দেশের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় মোস্তাফার মরদেহ। এরপর বিকেলে স্বজনরা মরদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ফেরেন।
মোস্তফা কামালের বাড়ি নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার চন্ডিগড় ইউনিয়নের ফুলপুর গ্রামে। তার বাবার নাম জয়নাল আবেদীন। মোস্তফার স্ত্রী ও দুই ছেলেসন্তান রয়েছে।
.png)
জানা যায়, জীবিকার সন্ধানে প্রায় দুই বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান মোস্তফা। চলতি মাসের শুরুর দিকে বুকের ব্যথা নিয়ে সৌদি আরবের একটি হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। গত ১০ অক্টোবর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। কিন্তু বাড়িতে খবর এসে মৃত্যুর তিনদিন পর ১৩ অক্টোবর। পরে সেখানকার আইনি প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার মোস্তফার মরদেহ দেশের মাটিতে পৌঁছায়। বিকেলেই তার নিজ গ্রামে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।
এর আগে, মোস্তাফার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছলে গ্রামজুড়ে শোকের মাতম শুরু হয়। একনজর দেখার জন্য অনেক লোকজন ছুটে আসেন। এ সময় তার বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তান ও স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।
প্রবাসী মোস্তফার চাচা মমিন মিয়া বলেন, হঠাৎ পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায় মোস্তফার। পরে সৌদি আরবের আরেক প্রবাসী আত্মীয়র মাধ্যমে খোঁজ নিলে খবর মেলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোস্তফা মৃত্যু হয়েছে, তাও তিনদিন আগে। যথাযথ প্রক্রিয়া সেখান থেকে আজ তার মরদেহ বাড়ি আনা হয়। পরে বিকেলে জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. খোকন মিয়া জানান, এক বছর আগে মোস্তফার আরেক ভাই মারা গেছে। এখন মোস্তফাও মারা গেল। বাবা-মায়ের জন্য এই শোক সইতে পারা অনেক কষ্টের। এমন মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।