শুক্রবার সন্ধ্যায় মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এর আগে একইদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাবার বাড়ির বসতঘরে ফাঁস নেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মৃত মারজানের বাবা তার কক্ষের দরজা খুলে মেয়েকে ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
মৃতের বাবা আবু নাছের অভিযোগ করে বলেন, ‘মারজানের শ্বশুরবাড়ি লক্ষীপুর জেলায়। সে চারদিন আগে স্বামীর বাড়ি থেকে আমাদের বাড়িতে আসে। শ্বশুর বাড়ির সদস্যদের মানসিক নির্যাতন সয্য করতে না পেরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে সে। ফাঁস নেয়ার আগে আমার মেয়ে তার মুঠোফোনে এক ভিডিও বার্তায় তার মৃত্যুর জন্য তার স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও দাদি শাশুড়িকে দায়ী করে গেছেন। ভিডিও বার্তাটি আমি পুলিশের কাছে দিয়েছি’।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি প্রণব চৌধুরী বলেন, মরদেহ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।