মঙ্গলবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সবজির মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকরা মৌসুমি শতীকালীন সবজি ফসল আবাদি ক্ষেত পরিচর্যা করছে। সবজি চাষিরা শীতকালীন সবজি আবাদের লক্ষ্যে জমি প্রস্তুত ও বীজ বপনের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এসব সবজির মধ্যে বাঁধাকপি, ফুলকপি, মুলা, করলা, লালশাক, পালংশাক, শিম, টমেটো, বেগুন, লাউ, শসা, মিষ্টি কুমড়া, বরবটি, শিম, শসা, কলমিশাক, ধনেপাতা, কাঁচা মরিচসহ বিভিন্ন জাতের সবজি রয়েছে।
ধরমপুর ইউনিয়নের চাষি সুরমা আলী জানান, তিনি এবার ১৬ শতক জমি সবজি চাষের জন্য প্রস্তুত করেছেন। এই জমিতে বাঁধাকপি ও ফুলকপি চাষ করবেন তিনি। এ ছাড়া অন্য মাঠে আরো ১০ শতক জমি প্রস্তুত করা আছে তার। ঐ জমিতে মরিচ, ডাঁটা ও টমেটো চাষ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ বছর প্রকৃতি অনুকূলে থাকলে এসব সবজি চাষে লাভবান হবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
.png)
উপজেলার ক্ষেমিরদিয়াড় গ্রামের সবজি চাষি আম্বু মিয়া বলেন, গত কিছু দিনের টানা বৃষ্টির আগে আমার ২৬ শতক জমিতে বিভিন্ন জাতের সবজি আবাদ করেছিলাম। এগুলো অতি বৃষ্টির কারণে নষ্ট হয়ে গেছে। একই জমি আবারো আমি সবজি চাষের জন্য প্রস্তুত করছি। খুব শিগগিরই এতে বীজ বপন করব।
ভেড়ামারা কৃষি কর্মকর্তা শায়খুল ইসলাম জানান, ২০২৩-২৪ উৎপাদনবর্ষে বিভিন্ন ফসল আবাদে এই উপজেলায় এ বছর মোট ৬৯০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের শীতকালীন সবিজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এরই মধ্যে ৬৭৫ হেক্টর জমিতে সবজি আবাদ চলছে। আবহাওয়া সবজি চাষের অনুকূলে থাকলে এ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে সবজি আবাদ হবে বলে মনে করছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মাহামুদা খাতুন বলেন, এখন শীতকালীন সবজি আবাদে আবহাওয়া অনুকূলে আছে। আশা করছি, বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছর শীতকালীন সবজির ফলন ভেড়ামারায় ভালো হবে। সবজি আবাদে কৃষক লাভবান হবেন। সুপরামর্শ নিয়ে উপজেলা কৃষি অফিস প্রান্তিক কৃষকদের পাশে আছে সবসময় এবং থাকবে।