জানা গেছে, গত দেড় মাস আগে জেলার মান্দা উপজেলার অটোরিকশা চলাচলে বিধি নিষেধ নিয়ে অটোরিকশা (সিএনজি) এবং বাস মালিক ও শ্রমিকের দ্বন্দ্ব হয়। কয়েক দিন আগে দুই পক্ষকে নিয়ে বসে প্রশাসন বিষয়টি সমাধান করতে পারেনি। পরে বাস মালিকদের পক্ষে দূর ও অভ্যন্তরীণ সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের ভাদুরি বলেন, পরিবারসহ কয়েক দিন আগে বগুড়ায় আত্মীয় বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে ফিরে বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে এসে দেখি কোনো বাস চলছে না। বাসে আসা-যাওয়া করতে জনপ্রতি ১০০ টাকা ভাড়া দিয়ে বাড়ির কাছে নামতে পারি। এখন ১২০ টাকা ভাড়া দিতে হবে। ভোগান্তি পোহানোর সঙ্গে সময়ও বেশি লাগবে।
.png)
সিএনজি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তানভির হোসেন বলেন, বাচ্চু সরদার নামে আমাদের একজন সিএনজি চালককে সোমবার বিকেল ৩টার দিকে জেলার মান্দার ফেরিঘাটে বাস মালিক সমিতির লাঠিয়াল বাহিনীরা মারধর করেছে। এমন ঘটনা প্রতিনিয়িতই ঘটে থাকে আমাদের সঙ্গে। তারা রাস্তায় প্রতিদিনই আমাদের সিএনজি চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে। যা অন্যায়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা আশানুরূপ সহযোগিতা পাচ্ছি না। যার কারণে আমরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছি। এর সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমরা সিএনজি চালাবো না।
তিনি বলেন, অটোরিকশা (সিএনজি) রেজিস্ট্রেশন করে বৈধভাবে চালাতে চাই। কিন্তু রেজিস্ট্রেশন আমাদের দেওয়া হচ্ছে না। আমাদের প্রায় দেড় হাজার অটোরিকশা আছে। যদি রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয় লাখ লাখ টাকা সরকারের রাজস্ব আদায় হবে। আমরা আইন মেনে গাড়ি চালিয়ে রোজগার করতে পারবো।
তবে এ বিষয়ে নওগাঁ জেলা বাস মালিক গ্রুপের পক্ষ থেকে কেউ কোনো মন্তব্য করতে চান না।
নওগাঁ সদর থানার ওসি ফয়সাল বিন আহসান বলেন, মালিক গ্রুপ ও সিএনজি মালিক-শ্রমিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে বসে বিষয়টি সুরাহার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যেন না ঘটে সেজন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।