শনিবার রাত ৯টার দিকে ছাতক থানার পুলিশের পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। আসামির তথ্যমতে, গত শুত্রুবার রাতে শিশু ইভার খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করেছে পুলিশ। আসামি রবিউল হাসান উপজেলার দোলারবাজার ইউনিয়নের দক্ষিণ কুর্শী গ্রামের মোশাহিদ আলীর ছেলে। তিনি খালেদ নূর হত্যা মামলার প্রধান আসামি। এ মামলায় তিনি ১১ মাস কারাগারে ছিলেন। সম্প্রতি ওই মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছিলেন তিনি।
জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর বিকেলে গ্রামের দোকানে মোবাইল কার্ড ক্রয় করতে যায় শিশু ইভা। এরপর থেকে নিখোঁজ হয় সে। ওইদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মস্তকবিহীন দেহ মিলে গ্রামের আতাউর রহমানের ধানক্ষেতে। পরদিন ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।
.png)
এদিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় ডাকা হয় ওই স্কুলছাত্রীর বড়ভাই রবিউল হাসানকে। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের আপন ছোট বোনকে হত্যার দায় কথা স্বীকার করেন তিনি। ধানক্ষেত থেকে বিবস্ত্র অবস্থায় মস্তকবিহীন দেহ উদ্ধারের প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর শুক্রবার রাতে দক্ষিণ কুর্শী গ্রাম সংলগ্ন আতাউর রহমানের ধানক্ষেত থেকে মস্তক উদ্ধার করে পুলিশ।
শনিবার বিকেলে আদালতে জবানবন্দিতে খালেদ নূর হত্যা মামলার বাদীকে ফাঁসানোর জন্য নিজের আপন ছোট বোনকে গলা কেটে দ্বিখণ্ডিত করে দেহ ও মস্তক ধানক্ষেতে ফেলে রাখার লোমহর্ষক বর্ণনা দেন।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ৪ অক্টোবর উত্তর কুর্শী গ্রামের খালেদ নূরকে হত্যা করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ডে রবিউল হাসানকে প্রধান আসামি করে মামলা করা হয়।