এর আগে, শুক্রবার অভিযান চালিয়ে ফরহাদ হোসেন গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের শিকার নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় বকশীগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর বাবা।
জানা গেছে, বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের একটি গ্রামের মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীর চার বছর আগে বিয়ে হয় দেওয়ানগঞ্জে। তার স্বামীও মানসিক ভারসাম্যহীন। জীবিকার তাগিদে ঢাকায় থাকেন তিনি। এ কারণে বাবার বাড়িতেই থাকে ওই নারী। তাকে বিভিন্ন সময় উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন ফরহাদ হোসেন। বিষয়টি তার স্বজনদের জানান ওই নারীর বাবা। এরমধ্যেই বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ওই নারীকে ফুসলিয়ে নিয়ে ধর্ষণ করে ফরহাদ। এই ঘটনা কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। কিন্তু বাড়িতে গিয়ে ঘটনা মা-বাবাকে জানান পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ওই নারী। একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্বজনরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ওই নারীর বাবা শুক্রবার ফরহাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। পরে বিকেলে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
.png)
মেয়েটির বাবা বলেন, আমার মেয়েটি মানসিক প্রতিবন্ধী। ৫-৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মেয়েটাকে জোরপূর্বক সর্বনাশ করেছে ফরহাদ। গুরুতর অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি।
বকশীগঞ্জ থানার ওসি মো. সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় ওই নারীর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। মামলার পরেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ফরহাদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার তাকে আদালতে পাঠানো হবে। ধর্ষিতা জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।