তহমিনার চার নবজাতককে বর্তমানে নিবিড় পর্যাবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
তহমিনা খাতুন চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়নের সুটিয়া মাঝপাড়ার জিয়াউর রহমান জিয়ার স্ত্রী। জিয়া পেশায় একজন প্রান্তিক কৃষক। আট বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। কিন্তু দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে সন্তান না হওয়ায়ও তারা চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হননি। কিছুদিন চিকিৎসার পর গৃহবধূ তহমিনা গর্ভবর্তী হন। পরিবারে সুখের বার্তা বইতে থাকে। এ অবস্থায় তহমিনার গর্ভের সন্তান দশ মাস পূর্ণ হলে বুধবার সকালের দিকে যশোরে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে অপারেশনের মাধ্যমে পর পর চারটি সন্তান প্রসব করেন।
.png)
নবজাতকদের বাবা কৃষক জিয়াউর রহমান জিয়া জানান, তাদের ২০১৫ সালে বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে দীর্ঘ আট বছর ধরে নি:সন্তান ছিলেন। দশ মাস আগে আমার স্ত্রী তহমিনা খাতুন সন্তানসম্ভবা হয়। সদ্যজাত সন্তানদের নাম রাখা হয়েছে জুম্মান, জুবায়ের, জুনিয়া ও জিনিয়া।
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শীলা পোদ্দার বলেন, একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম দিয়েছেন গৃহবধূ তহমিনা খাতুন। বর্তমানে মা ও নবজাতকেরা সবাই ভালো আছেন। তবে জন্মের পর নবজাতকদের ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা কম হওয়ায় নিবিড় পর্যাবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
একদিকে একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম দেওয়ার খবরটি চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। উৎসুক মানুষ গৃহবধূ তহমিনার গ্রামের বাড়ি সুটিয়ায় ভিড় করছেন নবজাতকদের এক নজর দেখতে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত নবজাতকেরা বাড়িতে না ফেরায় হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।