মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খান নিজ সম্মেলন কক্ষে হারিয়ে যাওয়া মোবাইলগুলো মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেন।
এদিকে হারানো মোবাইল ফোন হাতে পেয়ে খুশি ভুক্তভোগীরা। তারা জেলা পুলিশের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
.png)
সাভারের নবীনগর এলাকায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করেন মশিউর রহমান। তিনি বলেন, কয়েক সপ্তাহ আগে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বাসের ভেতর থেকে আমার স্মার্টফোন পকেটমারের হাতে চলে যায়। পরে মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি। পুলিশের সার্বিক সহযোগিতায় আজ হারানো মোবাইল ফোনটি হাতে পেয়েছি। এটি ফেরত পেতে আমার একটা টাকাও খরচ হয়নি।
সিংগাইর উপজেলার আঙ্গারিয়া গ্রামের রেখা রানী মন্ডল বেলন, অনেক কষ্ট করে একটি ভালো মোবাইল ফোন কিনে আমার মেয়েকে দেই। সেই মোবাইল আমার নাতির কাছ থেকে চুরি হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও মোবাইল পাইনি। পরে সিংগাইর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি। আমাকে গতকাল সিংগাইর থানা থেকে ফোন করে জানানো হয় যে, আপনার হারানো মোবাইলটি পাওয়া গেছে। আমি আমার মোবাইল পেয়ে অনেক খুশি।
পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খান জানান, গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলার অভ্যন্তরে ও বাইরে অভিযান পরিচালনা করে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মোবাইলগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া মোবাইলের মধ্যে মানিকগঞ্জ সদর থানার ৩০টি, সিংগাইরের ২৩টি, সাটুরিয়ার একটি, শিবালয়ের দুইটি, ঘিওরের ছয়টি, দৌলতপুরের চারটি এবং হরিরামপুর থানার একটি মোবাইল রয়েছে।