তিনি বলেন, চট্টগ্রামের যে জলাবদ্ধতা তা নিরসনে সরকার প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার কাজ করছে। তবে কোনো প্রকল্পই সফল হবে না, যদি না জনগণ সচেতন আচরণ না করেন। খাল-নালা দখল করায় পানি প্রবাহের স্বাভাবিক পথ না থাকলে কেবল প্রকল্প করে জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব নয়।
সোমবার নগরের ষোলশহরের চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স চত্বরে চসিকের কর মেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
.png)
মেয়র বলেন, নগরের নিচু এলাকায় পানি উঠলে অনেকে অস্থির হয়ে যান। আবার পানি নামলে ভুলে যান জলাবদ্ধতার কষ্টের কথা এবং খাল-নালা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেন। প্রকল্পের কাজ নিজস্ব গতিতে চলবে। তবে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ করে যেসব স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে তা ভেঙে দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, আমি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে জনগণকে করের বোঝা থেকে মুক্তি দিতে প্রতিটি ট্যাক্স সার্কেলে গণশুনানির আয়োজন করেছি। জনগণের বক্তব্য শুনে, যাচাই করে আপিল করা করদাতাদের গৃহকর সহনশীল পর্যায়ে এনে দিয়েছি। আমার দরজা নাগরিকদের জন্য সবসময় খোলা। সারাদিন অফিসের কাজ সামলে আবার প্রতিদিন সন্ধ্যার পর নাগরিকদের সমস্যা সমাধানে তাদের বক্তব্য শুনি। যে জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে, মেয়র পদে বসে তাদের ভুলে যাইনি।
জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ কর মেলায় উপস্থিত ছিলেন- সংসদ সদস্য আব্দুল লতিফ, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, কাউন্সিলর গাজী মোহাম্মদ শফিউল আজিম, শাহেদ ইকবাল বাবু, আবদুস সালাম মাসুম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, রাজস্ব কর্মকর্তা সৈয়দ শামশুল তাবরিজ, কর কর্মকর্তা মহিউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী প্রমুখ।