নিহত সুমাইয়া আক্তার উপজেলার বরমি ইউপির কায়েতপাড়া গ্রামের সাদিকুল ইসলামের স্ত্রী এবং ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার মজিবুর হোসেনের মেয়ে।
নিহতের চাচা শ্বশুর আমির হোসেন জানান, রোববার সকালে নিহতের স্বামী সাদিকুল ইসলাম তার নিজের কর্মস্থলে চলে যায় এবং শাশুড়ি তার মেয়ের বাড়ি চলে যায়। এ সময় বাড়ির প্রধান ফটকে তালাবদ্ধ দেখতে পাওয়া যায়। পরে সন্দেহ হলে বাড়ির প্রধান ফটকের তালা ভেঙে ফাঁসিতে ঝুলানো সুমাইয়ার লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
.png)
নিহতের স্বামী সাদিকুল ইসলাম বলেন, সকালে আমার কর্মস্থলে চলে যাই। চলে যাওয়ার দেড় ঘণ্টা পর আমাকে ফোন করে আত্মহত্যার বিষয়টি জানানো হলে দ্রুত বাড়িতে চলে আসি। এসে স্ত্রীর লাশ দেখতে পাই। আমার সঙ্গে স্ত্রীর সামান্য কথা-কাটাকাটি হয়েছিল সে জন্য হয়তো অভিমান করে সে আত্মহত্যা করতে পারে। এ ছাড়া আমাদের মাঝে কোনো ধরনের সমস্যা নেই।
শ্রীপুর থানার এসআই ফুরকান আলী খান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ চলমান রয়েছে।