গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নোয়াখালী সদর থানার চরজুবলী গ্রামের মৃত আলী আহম্মদ ছেলে সালাউদ্দিন এবং একই জেলার হাতিয়া থানার ইউনুছপুর ফকিন্নিপাড়া গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে মেহরাজ।
র্যাব জানায়, ভুক্তভোগী ওই নারী চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। গত ৪ সেপ্টেম্বর তিনি ফেনী সদর উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়নে এলে মেহরাজ নামে একজনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে মেহরাজ তাকে বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দিয়ে একটি ইটভাটার শ্রমিকদের ঘরে নিয়ে যান। কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই ওই নারীকে মেহরাজ তার অন্যান্য ৭-৮ জন সহযোগী মিলে ধর্ষণ করেন। এরপর তাকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পাশে রেখে পালিয়ে যান তারা।
.png)
পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ২-৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখে র্যাব। একপর্যায়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে, মামলার এজাহারনামীয় আসামি সালাউদ্দিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর লালপুল এলাকায় অবস্থান করছেন। র্যাবের একটি দল শুক্রবার অভিযান চালিয়ে নোয়াখালী সদরের চরজুবলী গ্রামের সালাউদ্দিনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত সালাউদ্দিনের স্বীকারোক্তি ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব জানতে পারে গণধর্ষণের মূলহোতা মেহরাজ ফেনীর দাগনভূঞার দিলপুর এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে গণধর্ষণের মূলহোতা মেহরাজকে গ্রেফতার করে র্যাব।
ফেনীস্থ র্যাবের কোম্পানি অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃতদের ফেনী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।