শুক্রবার সকালে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সমিতি পাড়া এলাকা থেকে এটি উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন ইকো লাইফ প্রকল্পের এনআরএম ম্যানেজার আব্দুল কাইয়ূম।
তিনি বলেন, গত দু’দিন ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। যার কারণে হিমছড়ি জাতীয় উদ্যানের পাহাড় থেকে বনরুইটি সাগরে চলে যায়। শুক্রবার সকালে সৈকতের সমিতি পাড়া পয়েন্টে বনরুইটি ভেসে আসলে ফয়সাল নামের এক যুবক এটিকে তার বাসায় নিয়ে যান। পরবর্তীতে ইকোফিস প্রকল্পের সিপিজি ও ব্লুগার্ড সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে ইকো লাইফ প্রকল্পের ডিপিডি ড. শফিকুর রহমানকে জানান।
.png)
এরপর ড. শফিকুর রহমানের নির্দেশে নেচার কনজারভেশন ম্যানেজমেন্ট (নেকাম) ও ইউএসএআইডি’র ইকো লাইফ প্রকল্প ও ইকোফিস প্রকল্পের সিপিজি ও ব্লুগার্ডের সহযোগিতায় সমিতি পাড়ার ফয়সালের বাসা থেকে বনরুইটি উদ্ধার করা হয়।
আব্দুল কাইয়ূম বলেন, দেশী বনরুইটি দীর্ঘ ও সরু দেহের। এই স্তন্যপায়ী প্রাণীটি মাথা ছোট ও ত্রিকোণাকার। মাথা ও পিঠসহ দেহ প্রায় ১৫-১৮ সারি শক্ত আঁইশে ঢাকা। এর লেজে রয়েছে প্রায় ১৪-১৬টি সারি। বনরুইটি কক্সবাজার দক্ষিণ বন-বিভাগের কক্সবাজার রেঞ্জ অফিসে বন বিভাগের কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে কক্সবাজার দক্ষিণ বন-বিভাগের কক্সবাজার রেঞ্জ অফিসের বন কর্মকর্তা সমীর রঞ্জন সাহা বলেন, বনরুইটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। একটু সুস্থ হয়ে উঠলে হিমছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হবে।