গ্রেফতারকৃত জাহিদ খানজাহান আলী থানার আটরা গিলাতলা ইউপির পাড়িয়ারডাঙ্গা গ্রামের কাওসার মোল্লার ছেলে (৫০)।
খানজাহান আলী থানার ওসি (তদন্ত) পলাশ কুমার দাস, পথের বাজার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই কামরুল হুদা নাঈম, এসআই আনোয়ার হোসেন, এ এস আই মাসুমসহ সঙ্গীয় ফোর্স ফুলতলা থানার বুড়িয়ারডাঙ্গা এলাকা থেকে মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আসামিকে গ্রেফতার করে।
.png)
জানা গেছে, স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্যের জের ধরে জাহিদ হাসান তার স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ নদীতে ফেলে দেন। এর পর তিনি পলাতক হয়ে যান। এক পর্যায়ে জাহিদ হাসানের স্ত্রীর লাশ নদী থেকে উদ্ধার হয়। পরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জাহিদ হাসানের বিরুদ্ধে যশোর জেলার অভয়নগর থানায় মামলা করেন।
পরবর্তীতে মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে জাহিদ হাসানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। আসামি জাহিদ হাসান ভারতে চলে যায়। পরে বাংলাদেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রাম, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে থাকেন। প্রায় ১২ বছর আগে যশোর রাজঘাট মইনুদ্দিনের মেয়ে সুমিকে বিয়ে করেন। সর্বশেষ তিনি খুলনায় ফিরে এসে ফুলতলা এলাকায় বেজেরডাঙ্গা নামক একটি গ্রামে ওমর আলীর বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। নিজের বেশভূষণের কিছুটা পরিবর্তন এনে নিজেকে আড়াল করার উদ্দেশ্যে মুখে দাড়ি রেখে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বেশ কিছুদিন যাবত চাকরি করতে থাকেন।
খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন খান বলেন, বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাহিদ হাসানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।