নিহতরা হলেন- বড়কুল ইউনিয়নের দাসপাড়া এলাকার উত্তম বর্মণ ও তার স্ত্রী কাজলী রাণী বর্মণ। তারা একই এলাকার দুলাল দাসের বাড়ির পাহাড়াদার হিসেবে বসবাস করতেন।
শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে নিহত উত্তম বর্মনের মেয়ে রিনা রানী বর্মন বলেন, তারা দুই বোন। তার বিয়ে হয়েছে মতলবে। সকালে এই ঘটনার খবর পেয়ে তিনি এসেছেন। তাদের বাড়ি লাকসাম হলেও দীর্ঘদিন হাজীগঞ্জে বসবাস করে আসছেন।
.png)
স্থানীয় বাসিন্দা সবিতা সাহা জানান, সকালে ফুল তুলতে গিয়ে দেখেন উত্তম বর্মন ও তার স্ত্রী ঘুম থেকে উঠেননি। অনেকক্ষণ ডাকার পরও কোনো সাড়া না পেয়ে ভেতরে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু ভেতরে দরজা খোলা দেখে পাশের বাসার লোকজনকে খবর দেন। পরে তারা এসে দেখেন দু’জনের হাত-পা বাঁধা লাশ পড়ে আছে।
ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মজিব জানান, চুরির বা ডাকাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজিগঞ্জ সার্কেল) পঙ্কজ কুমার দেবনাথ, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি এনামুল হক চৌধুরী, হাজিগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) নজরুল ইসলাম।
হাজীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ জানান, ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক দ্বন্দ্বে স্বামী-স্ত্রীকে হত্যা করা হয়েছে। তারা মূলত ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। তাদের হাত-পা বেঁধে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার করেছে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে। বিষয়টি পুলিশের পাশাপাশি তদন্ত করছে পিবিআই।