বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিলরুবা বেগম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের বাথরুমের কমোটে আমি একটি সাপ দেখতে পাই। এরপর বাথরুম থেকে দ্রুত বেরিয়ে যাই। তিন-চারদিন আগেও কয়েকটি সাপ দেখা যায়। তখন সাপুড়ে দিয়ে কয়েকটি সাপ ধরা হয়। আজ আবারেও সাপ দেখে সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ি।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে তাদের পরামর্শে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়। আমরা সবাই অপেক্ষা করছি সাপুড়ের জন্য।
.png)
দুর্গাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান বিপ্লব বলেন, প্রধান শিক্ষক আমাকে বিষয়টি জানালে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করি। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে মিরসরাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম ফজুল হক বলেন, সাপ দেখার পর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ভয় পেয়ে গেছেন। তাই সবার নিরাপত্তার জন্য বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়েছে। এর আগেও ওই বিদ্যালয়ে সাপ পাওয়া গেছে।