মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের বিচারক আশরাফুল ইসলাম এ আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)’র পিপি অ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
১৯৯৬-৯৭ সাল থেকে পরবর্তী কয়েক বছরে পাট কেনার জন্য ওই টাকা ঋণ নেয়া হয়। যা সুদে-আসলে বর্তমানে শত কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। ২০১৭ সালে ২৬ সেপ্টেম্বর দুদক খুলনার উপ-সহকারী পরিচালক মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় সনজিৎ কুমার দাসসহ ব্যাংকের ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় মামলা করেন। ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট দুদকের একই কর্মকর্তা আদালতে চার্জশিট প্রদান করেন।
.png)
জানা যায়, অর্থ আত্মসাতের মামলার সনজিৎ কুমার দাস দীর্ঘদিন উচ্চ আদালতের জামিনে ছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তাকে নিম্ন আদালতে পাসপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দেন। কিন্তু সনজিৎ কুমার দাস তার পাসপোর্ট জমা না দিয়ে র্যাব জব্দ করেছে বলে আদালতকে জানান। পরবর্তীতে তার পাসপোর্ট র্যাব জব্দ করেনি বলে নিশ্চিত হয় দুদক।
একই মামলায় সোনালী ব্যাংক দৌলতপুর শাখার গোডাউন কিপার মতিয়ার রহমান, সাবেক এজিএম নজরুল ইসলাম, সহকারী মহাব্যবস্থাপক মানিক চন্দ্র মন্ডল, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার রুহুল আমিন ও অফিসার অজিত কুমার সরকারকে আসামি করা হয়।