সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, চাঁদপুর শহরের পালবাজার এলাকার ঘোষ কেবিন, মিহির সুইটস, মা সুইটস, বসু সুইটস, মানিক রেস্টুরেন্ট ও পুরানবাজার এলাকাসহ জেলার বিভিন্ন মিষ্টান্ন দোকানে বিষাক্ত রং দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে মচমচে রসালো তালের বড়া। বড়াগুলো মচমচে করার জন্য চালের গুঁড়া দেওয়ার কথা ব্যবসায়ীরা বললেও তাতে দিচ্ছেন সোডা। বড়ায় গাছের পাকা তাল নেই, আছে বিষাক্ত রং। আর এসব রং আর সোডার কারণে তাল দিতে হয় না। এই ধরনের খাবার গ্রহণের ফলে মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে।
একাধিক ব্যবসায়ী জানান, দোকানে প্রতিদিন ১৫-২০ কেজি তালের বড়া তৈরি করা হয়। প্রতি কেজি ১৮০-২০০ টাকায় বিক্রয় করা হয়। তালের বড়ায় তাল নেই, এটা ভুল কথা। তবে একটু দেওয়া হয়। আর বড়াতে অল্প রং দেওয়া হয়।
.png)
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের (আরএমও) ডা. আসিবুল আহসান জানান, রং ব্যবহার করা খাদ্য মানবদেহের অনেক ক্ষতি হয়ে থাকে। এর ফলে পাকস্থলিতে মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া গ্যাস্ট্রিক, আলসার, জন্ডিসসহ নানা রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।