সোমবার বেলা ১১টার দিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মেহেদী হাসান তালুকদার এ রায় দেন।
দুই মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মকবুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
.png)
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- জেলার পত্নীতলা উপজেলার কাশিপুর গ্রামের শ্রী কাজল মালি এবং পোরশা উপজেলার গোবরাকুড়ি গ্রামের হ্যাপি। রায়ের সময় কাজল মালি উপস্থিত থাকলেও হ্যাপি উপস্থিত না থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ারা জারি করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১০ জানুয়ারি পোরশা উপজেলার ইলাম গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে এক মাদরাসাছাত্রীকে আম বাগানে নিয়ে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি ধর্ষণ করেন। রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন ঐ ছাত্রীকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা করান। পরবর্তীতে ছাত্রীর নানা পোরশা থানায় অভিযোগ করলে তদন্তকারী কর্মকর্তা গোবরাকুড়ি এলাকার ওসমানের ছেলে হ্যাপির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ এ রায় দেন আদালত।
অন্যদিকে, ২০২০ সালের ২৭ মার্চ পত্নীতলা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে এক প্রতিবন্ধী নারীকে একই গ্রামের কাজল মালি মুখ বেঁধে ধর্ষণ করেন। পরে ১ এপ্রিল প্রতিবন্ধী ঐ নারীর স্বামী পত্নীতলা থানায় একটি মামলা করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ এ রায় দেন আদালত।