ঝালকাঠি পোসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ঝালকাঠি পাসপোর্ট অফিস ২০১৩ সালে মেশিন রিডেবল কার্যক্রমের মাধমে কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের একটি কক্ষে এনালগ পাসপোর্টের কার্যক্রম চলে।
২০১৩ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত দীর্ঘদিন শহরের কৃষ্ণকাঠি এলাকায় ব্যক্তিমালিকানা ভবনে ভাড়ায় চলতো। ঝালকাঠি গণপূর্ত অধিদফতর নতুন ভবন তৈরির জন্য অনুমোদন ও বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনতলা বিশিষ্ট আধুনিক পাসপোর্ট ভবন নির্মাণ করে। গত ৯ আগস্ট বরিশালের বিভাগীয় পাসপোর্ট অধিদফতরের উপপরিচালকের নেতৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃত্বে তিন সদস্যের কাছে ভবনটি হস্তান্তর করে গণপূর্ত বিভাগ।
.png)
অফিসার কার্যক্রম ও প্রক্রিয়া শেষ করে বৃহস্পতিবার থেকে মালামাল স্থানান্তর করা শুরু হয়। টানা তিনদিন স্থানান্তরের পরে রোববার সকালে নতুন ভবনে কার্যক্রম শুরু হয়।
তিনি আরো জানান, শহরের প্রবেশদ্বার কৃষ্ণকাঠি পেট্রোলপাম্প মোড় থেকে উত্তর দিকে আধা কিলোমিটার দূরেই দেখা মিলবে বিশ্বরোড সংলগ্ন অনন্য নির্মাণ শৈলিতে নির্মিত তিনতলা পাসপোর্ট ভবন।
প্রবেশদ্বারের সেন্ট্রিগার্ড অতিক্রম করে প্রবেশ করলেই নিচতলায় ১০১ নম্বর কক্ষ পাসপোর্টের আবেদন ফরম জমাদান, ১০৩ নম্বর কক্ষে পুরুষের জন্য ও ১০৪ নম্বর কক্ষে নারী, শিশু ও রোগাগ্রস্ত ব্যক্তিদের ছবি তোলা, আঙ্গুল ও চোখের ছাপ নেয়া হয়। ১০২ নম্বর কক্ষে সম্পন্ন হওয়া পাসপোর্ট বিতরণ করা হয়। ভবনের দ্বিতীয় তলায় সহকারী পরিচালকের কার্যালয় এবং তৃতীয় তলায় কর্মকর্তার বাসভবন। নতুন ভবনে নতুন পরিবেশে সেবাগ্রহিতা ও সেবাদাতা সবাই খুশি মনে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।