রোববার সকাল ১০টার দিকে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৪, সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এম আরিফ হোসেন। এর আগে শনিবার রাতে তাকে ঢাকার সাভার উপজেলা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানায়, ওমর আলী ও ভিকটিম রুবেল একই এলাকায় বসবাস করতেন। ভিকটিম রুবেলের বাবা সামছুল হকের সঙ্গে আগে থেকেই জমিজমা নিয়ে ওমর আলীর বিরোধ ছিল। ২০০১ সালের ২৪ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে জমির চাষাবাদকে কেন্দ্র করে ভিকটিম রুবেল ও ভিকটিমের বাবা সামছুল হকের সঙ্গে ওমর আলীর কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়।
.png)
এ বিরোধের জের ধরে একই মাসের ২৬ এপ্রিল রুবেলকে রওশন আলীর মাঠে একা পেয়ে ওমর আলী ও তার সহযোগী ইব্রাহিম, রাজ্জাক, হানিফসহ অজ্ঞাতনামা তিন থেকে চারজন মিলে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ভিকটিম রুবেলকে কুপিয়ে হত্যা করেন।
এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা সামছুল হক বাদী হয়ে সিংগাইর থানায় ওমর আলী ও তার সহযোগী ইব্রাহিম, রাজ্জাক, হানিফসহ অজ্ঞাতনামা তিন থেকে চারজনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর আসামি ওমর আলী ও তার সহযোগী ইব্রাহিম, রাজ্জাক এবং হানিফকে সিংগাইর পুলিশ গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা ১৭ মাস কারাবাস শেষে জামিনে মুক্তি পান। আসামি ওমর আলী জামিনে মুক্তি পেয়ে আত্মগোপনে চলে যান। মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা ওমর আলী, ইব্রাহিম, রাজ্জাক এবং হানিফদেরকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
পরবর্তীতে চার্জশিটের ভিত্তিতে আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে ওমর আলীকে যাবজ্জীবন সাজা প্রদান করেন এবং অপর আসামি ইব্রাহিম, রাজ্জাক এবং হানিফকে মামলা থেকে খালাস প্রদান করেন।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এম আরিফ হোসেন জানান, ওমর আলী গত ২০ বছর যাবৎ পলাতক ছিলেন। শনিবার রাতে সাভার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে সিংগাইর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।