মঙ্গলবার সকালে র্যাব-১০ এর ফরিদপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার কেএম শাইখ আকতার প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। এর আগে, এ ঘটনায় উজ্জ্বল শেখের মা ও নিহতের শাশুড়ি জহুরা বেগমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত উজ্জ্বল শেখ রাজবাড়ির বালিয়াকান্দি থানার তেতুলিয়া গ্রামের মো. কুদ্দুস শেখের ছেলে।
র্যাব জানায়, গত ৩ আগস্ট থেকে নিখোঁজ ছিলেন উজ্জ্বল শেখের স্ত্রী মিনু বেগম। গত শনিবার তেতুলিয়া গ্রামে উজ্জ্বল শেখের বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ খোঁজাখুঁজির পর সেপটিক ট্যাংক থেকে মিনু বেগমের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের মা সোনা বানু বাদী হয়ে মিনুর স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে বালিয়াকান্দি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
.png)
১২ বছর আগে উজ্জ্বল শেখ ও মিনু বেগমের বিয়ে হয়। তবে তাদের কোন সন্তান না হওয়ায় উজ্জ্বল প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়েই রাবেয়া নামে আরেক নারীকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। পরে বিয়ের বিষয়টি জেনে গেলে মিনুর সঙ্গে উজ্জ্বলের কলহের সৃষ্টি হয়। এর জেরে মিনুকে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখা হয়। লাশ উদ্ধারের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের স্বামী উজ্জ্বল শেখকে শহরের রাজবাড়ি রাস্তার মোড় থেকে গ্রেফতার করে র্যাব।
র্যাব আরো জানায়, গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে ও পারিবারিক কলহের কারণে মিনু বেগমকে শ্বাসরোধে হত্যার পার লাশ সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রেখে নিখোঁজের রটনা প্রচার করেন উজ্জ্বল এবং তার পরিবারের লোকেরা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি উজ্জ্বল শেখ মিনু বেগমকে হত্যার পর লাশ সেপটিক ট্যাংকে রাখার কথা স্বীকার করেছেন।