রোববার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত ২য় এর বিচারক ঝলক রায় এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় পাঁচ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং দু’জন পলাতক রয়েছেন।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, উপজেলার বাজিতপুর গ্রামের মতিন মিয়া, নুরুল হক, আনর আলী, আফতাব, সিরাজ আলী, মংলা মিয়া ও হেলাল। এর মধ্যে মংলা ও হেলাল মিয়া পলাতক রয়েছেন।
.png)
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে দোয়ারাবাজার উপজেলার বাজিতপুর গ্রামে সড়কের পাশে একই গ্রামের মাসুক মিয়া ও হুশিয়ার আলীর ভুসিমালের দোকানের ব্যবসা ছিল। ঘটনার দিন বিকেলে হুশিয়ার আলী কেরাম খেলার সরঞ্জাম চান মাসুক মিয়ার কাছ থেকে। কিন্তু তিনি সরঞ্জাম না দেওয়ায় তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।
এরই জেরে বিকেল ৫টার দিকে হুশিয়ার আলী তার সহযোগী আসামিরা দলবদ্ধ হয়ে মাসুক মিয়া ও তার স্বজনদের ওপর হামলা চালান। এ সময় মাসুক মিয়ার চাচা জামাল উদ্দিনকে আসামিরা তার বুকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই আব্দুর রউফ বাদী হয়ে ১৮ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার দীর্ঘ বিচারকার্য শেষে আজ এ রায় দেন আদালত।