নিহতরা হলেন- আবু জাফর হাওলাদারের স্ত্রী পাপিয়া বেগম ও তার মেয়ে পাঁচ বছরের সাওদা জেমি।
জানা যায়, ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় জেমি। গুরুতর অবস্থায় পাপিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতলে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।শুক্রবার রাত ৯টার দিকে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে কী কারণে কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।
.png)
শরণখোলা থানার ওসি মো. ইকরাম হোসেন বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্লু পাওয়া যায়নি। তদন্ত চলছে।
রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজমল হোসেন মুক্তা জানান, পারিবারিক কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।
গ্রাম পুলিশের সদস্য স্বপন কুমার ঢালী জানান, পাপিয়ার স্বামী ঢাকায় থাকেন। তার ছেলে জিহাদ (১৫) পিরোজপুরের মঠবাড়িয়াতে একটি দোকানে কাজ করে। মেয়েকে নিয়ে পাপিয়া বাড়িতে থাকতেন। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তা বোঝা যাচ্ছে না।
শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আশফাক জানান, পাপিয়াকে হাসপাতালে নেয়ার আগেই মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম রয়েছে।