ঢাকা,  বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

পুকুরে ভাসছিল ত্রিপল মার্ডার মামলার সাক্ষীর মরদেহ

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:১১, ৬ আগস্ট ২০২৩
পুকুরে ভাসছিল ত্রিপল মার্ডার মামলার সাক্ষীর মরদেহ
ফাইল ফটো

গাজীপুরের শ্রীপুরে ত্রিপল মার্ডার মামলার একমাত্র সাক্ষী শাহজাহানের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে উপজেলার প্রহলাদপুর ইউনিয়নের কাচারিপাড়া গ্রামে তার নিজ বাড়ির পাশের পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মৃত শাহজাহান ঐ গ্রামের আমির উদ্দিনের ছেলে। দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শ্রীপুর থানার ওসি এএফএম নাসিম।

ওসি বলেন, মরদেহটি পচে ফুলে যাওয়ায় শরীরের চামড়া উঠে গেছে। শরীরে মাছ ও পোকা কামড়ানোর দাগ রয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Advertisement

মৃতের ভাই ও মামলার বাদী মজিবর রহমান বলেন, ২০১৩ সালে স্থানীয় নাছির উদ্দিনের ছেলে রবিন, ইসলাম উদ্দিনের ছেলে নাঈম, আয়নাল হোসেনের ছেলে ইউসুফ, আব্দুল বাতেনের ছেলে এমরান, রজব আলীর ছেলে রুবেল ও সাকিল আমার মা-বোনসহ আরো একজনকে নির্মমভাবে হত্যা করেন। ঘটনার সময় আমি বাড়িতে ছিলাম না বলে প্রাণে বেঁচে যাই। সকালে পুকুর থেকে আমার ভাইয়ের উদ্ধারকৃত মরদেহেও কোপানোর চিহ্ন রয়েছে। ২০১৩ সালে তাকে কোপানো হয়েছিল, কিন্তু দীর্ঘদিনের চিকিৎসায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান। আমার ভাই শাহজাহান এ হত্যা মামলার একমাত্র সাক্ষী ছিলেন।

তিনি আরো বলেন, আমার বোন আরিফা কলেজে পড়াশোনা করা অবস্থায় অভিযুক্ত আসামি রবিন তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় অভিযুক্তরা আমার মা-বোনকে নির্মমভাবে কুপিয়ে খুন করেন। এবার আমার ভাইয়ের মরদেহ পুকুরে ভাসছে। তিনি কীভাবে মারা গেলেন, কেউ মেরে ফেলেছে কি না, তা আমি বলতে পারছি না।

থানা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে ত্রিপল মার্ডারের ঐ মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই
ট্যাগ: গাজীপুর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!