উপজেলা ছয়টি ইউনিয়ন একটি পৌরসভায় বৃষ্টির মৌসুমে পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় এবং রোদের প্রখর তেজের কারণে সংকুলান হচ্ছে না সেচে। শুকিয়ে যাচ্ছে রোপা আমন ক্ষেত। তিন-চারদিন পর পর পানি দিয়েও মাটি ভিজিয়ে রাখা যাচ্ছে না। দ্রুতই মাটি ফেটে যাওয়ায় সেচের পানি তেমন কাজে আসছে না। ফলে বাড়ছে চাষের খরচ।
উপজেলার আড়াইবাড়ীয়া ইউনিয়নের কৃষকরা জানান, প্রতি শতকে ৪০ টাকা বা ঘণ্টায় ১৭০ টাকা হিসাবে সেচ দিয়ে জমি ভেজাতে হচ্ছে। এদিকে শ্রমের মজুরি ৭০০-৮০০ টাকা। শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। তাই জনপ্রতি দুই-তিন একর জমি থাকলেও অর্ধেকের বেশি জমিতে চাষ হয়নি।
.png)
কৃষক শরীফ মিয়া বলেন, বর্ষায় বৃষ্টির অপেক্ষায় থাকলেও আশানুরূপ বৃষ্টি হয়নি। ফলে জমিতে চাষ দেওয়া যায়নি। তাই বাধ্য হয়ে সেচ দিয়ে কিছু জমিতে চাষ করছি। কাটা-মাড়াইয়ের খরচ বাদে আমন চাষে প্রতি ৪০ শতকে এখন খরচ হচ্ছে ১৬ হাজার টাকা।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি রোপা আমন মৌসুমে হোসেনপুরে সাত হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। তবে বৃষ্টির পানির অভাবে কিছু জমিতে শ্যালো মেশিন দিয়ে ধান রোপণ করা হচ্ছে। যার মধ্যে বেশির ভাগ জমিতে চাষ হয়েছে ব্রি-২৮। এছাড়া রয়েছে ব্রি-৩৯, ব্রি-৪৯, ব্রি-৫২, ব্রি-৮৭, বিআর-২২ ও বিআর-২৩ জাতের ধান।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস এম শাহজাহান কবির বলেন, বৃষ্টি না হওয়ায় এবার আমন ধান চাষ কিছুটা বিলম্বিত হয়েছে। তবে লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হবে না বলে আশা করছেন তিনি।