বৃহস্পতিবার বিকেলে ময়মনসিংহ র্যাব-১৪ সদর দফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে, বুধবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে সিলেট মেট্রোপলিটনের জালালাবাদ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ফজুল হক ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার মধ্যম কালবিজাইল বাঁশতলা এলাকার ইমান আলীর ছেলে।
.png)
র্যাব জানায়, ফুলবাড়িয়া উপজেলার ফজুলের সঙ্গে ফুলপুরের জাহিদা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের ১০ বছর পর ২০০২ সালে তাদের সংসারে পারিবারিক কলহ দেখা দেয়। কলহের জেরে জাহিদা খাতুন তার বাবার বাড়ি ফুলপুরে চলে আসেন। তিনি বাবার বাড়িতে গিয়ে রাইস মিলে শ্রমিকের কাজ নেন। ফজুল দুই মাস পর জাহিদার সঙ্গে দেখা করতে ফুলপুরে যান।
২০০২ সালের ১২ অক্টোবর জাহিদা রাইস মিল থেকে ফেরার পথে ফজুলের সঙ্গে দেখা হয়। সেখান থেকে জাহিদাকে কিছুটা দূরে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত করেন ফজুল। পরের দিন জাহিদা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনার নিহত জাহিদার মা জমিলা খাতুন বাদী হয়ে ফুলপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।
ময়মনসিংহ র্যাব-১৪ সদর দফতরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, মামলার পর থেকেই ফজুল পলাতক ছিলেন। পরে ঐ মামলায় ২০১০ সালের ৭ মার্চ ফজুলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।