রোববার (২৩ জুলাই) রাতে উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় কবিরের স্ত্রী বিলকিস ও দুই শিশু সন্তান তানভির ও তামিম আহত হয়।
কবিরের স্ত্রী বিলকিস বেগম বলেন, প্রতিদিনের মতো রাতে ঘরের সবাই ঘুমিয়ে পড়ি। রাত দেড়টার দিকে সিঁধ কেটে ঘরে প্রথমে আমার স্বামীর বিছানায় যান ডাকাতরা। কিছুক্ষণ পর আমার স্বামীর চিৎকার শুনে আমি তার কক্ষে যাওয়া মাত্রই আমার চোখ বেঁধে তাকে কুপিয়ে জখম করেন।
.png)
তিনি আরো বলেন, ডাকাতরা আমাদেরকে বেঁধে ঘরের থাকা নগদ ২ লাখ ৪০ হাজার, কানের দুল, একটি চেইন, একজোড়া হাতের চুরি, হাতের দুটি আংটি, রুপার নূপুর একজোড়া নিয়ে যান।
বিলকিস বলেন, ঘরের মধ্যে তিনজন লোক ছিল এবং বাইরে আরো অনেক লোক ছিল। আমাদের চিৎকারে স্থানীয়রা আসলে আমার স্বামীকে অজ্ঞান অবস্থায় পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে সেখান থেকে বরিশালে পাঠানো হয়।
কবিরের বাবা ফুল খান বলেন, আমার ছেলেকে এমনভাবে কোপানো হয়েছে জানি না বাঁচবে কিনা। আমরা আইনের আশ্রয় নেবো।
স্থানীয় ইউপি সদস্য পিন্টু মুন্সি বলেন, আমরা ডাকাতির ঘটনা শোনা মাত্রই ঐ বাড়িতে যাই। ডাকাতির আলামত পাওয়া গেছে। কবিরের মাথায়, হাটুসহ একাধিক জায়গায় কোপানো হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) আবু জাফর সালেহ বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছি। তদন্ত চলছে।