রোববার সকাল ৮টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে র্যাব-৫। এর আগে শুক্রবার (১৪ জুলাই) ঢাকার আদাবর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ডলি বেগম পাঁচবিবি উপজেলার কুটুহারা গ্রামের আব্দুর রহমানের মেয়ে। নিহত আবুল হোসেন পাঁচবিবি উপজেলার মঠপাড়া গ্রামের ফয়েজের ছেলে।
.png)
র্যাব জানায়, আবুল হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয় ডলির। বিয়ের পর থেকে আবুল হোসেন শ্বশুর বাড়িতে ঘরজামাই থাকতেন। পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। অন্যদিকে ডলি পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে পরকীয়া সম্পর্ক জেনে যাওয়ায় আবুল হোসেনকে হত্যার পরিকল্পনা করেন স্ত্রী ডলি। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০০১ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে আবুল হোসেনকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়ে যান ডলি।
পরদিন আবুল হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় পুলিশ। পরে ২৯ সেপ্টেম্বর নিহতের বাবা পাঁচবিবি থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নুর ইসলাম চারজন আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- আবুল হোসেনের স্ত্রী ডলি বেগম, মৃত নিগমা উড়াওয়ের ছেলে সুরেন উড়াও, ধলু মণ্ডলের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান ও দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার বলরামপুর গ্রামের ফিরাজ উদ্দীনের ছেলে কাফা। এর মধ্যে পলাতক ছিলেন ডলি ।
র্যাব-৫ এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি অধিনায়ক সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জানান, হত্যা মামলার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন ডলি। র্যাব-৪ (সিপিএসসি) ও র্যাব-৫ (সিপিসি-৩) এর যৌথ অভিযানে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ডলিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে পাঁচবিবি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।