বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের সারপলশিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ইসমাইল ওই গ্রামের হযরত মন্ডলের ছেলে। পারিবারিক সম্পর্কে ইসমাইল শিশুটির চাচা।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে ইসমাইল তার বন্ধুর মেয়েকে পা টিপে দেওয়ার কথা বলে ঘরে ডেকে নেন। পরে শিশুটির মুখ চেপে ধর্ষণের সময় সে ডাক-চিৎকার করে। এ সময় শিশুটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন বাড়িতে এসে ইসমাইলকে আটক করে পুলিশের কাছে সোর্পদ করে। পরে ঘর থেকে বের হয়ে শিশুটি তার মাকে ঘটনাটি জানায়। শিশুটি স্থানীয় একটি প্রাইমারি স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী।
.png)
শিশুর বাবা বলেন, লম্পট ইসমাইল আমার অবুঝ শিশু মেয়েটিকে পা টিপে দেওয়ার কথা বলে ঘরে ডেকে নেন। পরে মুখ চেপে অনৈতিক কাজ করে। বিষয়টি নাজির মেম্বারসহ প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টায় মিমাংসার কথা বলছেন।
নিকরাইল ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য নাজির উদ্দিন বলেন, বিষয়টি শুনেছি। মেয়েটির বাবা ও অভিযুক্ত ইসমাইলের সঙ্গে পূর্ব বিরোধ রয়েছে।
নিকরাইল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মাসুদুল হক মাসুদ বলেন, শিশুটির বিষয়ে জানতে পেরেছি। সত্যতা কতটুকু জানি না।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার ওসি মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধর্ষণচেষ্টার প্রমাণ মিলেছে। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। মেয়েটির মেডিকেল পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।