অপরদিকে একইদিনে বিকেলে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের কয়রা গ্রামে আহম্মদ আলী নামে ১৪ মাস বয়সী আরেক শিশু পানিতে ডুবে মারা গেছে। আহম্মদ কয়রা গ্রামের সাদির মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুই মাস আগে শিশু রাইসা মায়ের সাথে নানার বাড়িতে বেড়াতে আসে। বুধবার সন্ধ্যায় বাড়ির উঠানে খেলা করার একপর্যায়ে সামনের পুকুরে পড়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে দেখতে না পায়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পুকুরে শিশু রাইসাকে ভাসতে দেখে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। এরপর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্য চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
অন্যদিকে শিশু আহম্মদের মা মারিয়া আক্তার রান্না ঘরে কাজ করছিলেন। এসময় শিশুটিও মায়ের সামনেই ঘরে বসে খেলা করছিল। তবে হঠাৎ মায়ের অজান্তেই ঘরের বাইরে বেরিয়ে যায় সে। কিন্তু সন্তানকে ঘরে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তার মা। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আহম্মদকে বাড়ির পাশের একটি পুকুরের পানিতে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুই শিশুর মৃত্যু নিশ্চিত করে কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে শিশু রাইসা ও আহম্মদের মরদেহ উদ্ধার করে থানা নিয়ে আসা হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।