মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাজে জেলহাজতে পাঠানো হয়। এর আগে, সোমবার রাতে পার্বতীপুর মডেল থানা পুলিশ ও র্যাবের যৌথ অভিযানে ঢাকার শেরে বাংলা নগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আইয়ুব আলী হত্যা মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি। তিনি ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন। গ্রেফতারকৃত আইয়ুব আলী পার্বতীপুর উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়নের হয়বৎপুর গ্রামের আব্দুল মোত্তালেবের ছেলে।
জানা গেছে, পার্বতীপুর উপজেলার হয়বৎপুর গ্রামের এক মেয়ের সঙ্গে একই গ্রামের প্রতিবেশী ইউনুস আলীর দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি ঐ মেয়ের পরিবার জানতে পেরে ছয় মাস আগে তাকে অন্য ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেয়। এরপরও তাদের প্রেমের সম্পর্ক চলমান ছিল।
.png)
এরই জেরে গত ১৬ জুন রাত ১১টার দিকে ঐ মেয়ের পরিবার কৌশলে ইউনুস আলীকে তাদের বাড়িতে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। পরের দিন মেয়ের চাচার বাড়িতে থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ছেলের বাবা মো. মাহাবুর রহমান বাদী হয়ে ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে পার্বতীপুর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরই ধারাবাহিকতায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পার্বতীপুর মডেল থানার এসআই মৃগেন্দ্র নাথ রায় ও র্যাব-১৩, ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানি-১, দিনাজপুর এবং র্যাব-২, সিপিসি-২ (বসিলা মোহাম্মদপুর) এর যৌথ অভিযানে আইয়ুব আলীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর সোমবার রাতে আসামি আইয়ুব আলীকে পার্বতীপুর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি আবুল হাসনাত খান বলেন, গ্রেফতারকৃত আইয়ুব আলী এজাহারভুক্ত ছয় নম্বর আসামি। মঙ্গলবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।