নিহত ভবেশ চন্দ্র ঐ গ্রামের মানিক চন্দ্রের ছেলে। তিনি তার বাবার মিষ্টির দোকান দেখাশোনা করতেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ৫ বছর আগে প্রতিবেশী মৃনাল চন্দ্রের প্রথম স্ত্রী পারুল রাণী সুন্দরীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে ভবেশ চন্দ্রের। প্রেমের সম্পর্ক থেকে একপর্যায়ে তাদের মাঝে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে মিমাংসা করা হয়। পরে পারুল রাণীকে নিয়ে ঢাকা ও সৈয়দপুরের বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া করে থাকতেন ভবেশ চন্দ্র। মাঝে মাঝে বাড়িতে এসে বাবার মিষ্টির দোকান দেখাশোনা করতেন।
.png)
গতকাল রোববার গভীর রাতে বাবার মিষ্টির দোকান বন্ধ করে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন ভবেশ চন্দ্র। এ সময় তার ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
জলঢাকা থানার ওসি মোক্তারুল আলম বলেন, শিমুলবাড়ি এলাকায় একটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা চলছে।